যা করতে পারবেন না বা করবেন না…………..

যা করতে পারবেন না বা করবেন না, সে ব্যাপারে বিনয়ের সাথে প্রথমেই ‘না’ বলুন।

কাউকে অভিনন্দন জানানোর সুযোগ পেলে আন্তরিকভাবে জানান।

স্থান-কাল-পাত্র বুঝে হাসিমুখে কথা বলুন। হৃদয়ের আন্তরিকতা মুখের হাসিতে শতগুনে প্রস্ফুটিত হয়।

|•►►এক মেয়ে অনেক ছোট একটা পোশাক পড়ে জিগ্গেস করতেছে ছেলেকে

|•►►এক মেয়ে অনেক ছোট একটা পোশাক পড়ে জিগ্গেস করতেছে ছেলেকে
-আমাকে অনেক যুবতী মনে হচ্ছে , তাই না…??


ছেলের উত্তরঃ ঐটাও খুলে ফেলাও, একেবারে ছোট বাচ্চা মনে হবে। 😛 😛 😛

→ বড় হলেও পড়ুন, নিজের বিবেকের সাথে দায়বদ্ধ থাকতে চাইলে অবশ্যই পড়ুন ←

*** প্রথম মাস ***
হ্যালো আম্মু …..
আমি এখন লম্বায় মাত্র ৩-৪ ইঞ্চি,
কিন্তু আমার হাত-পা সবই আছে।
আমি তোমার কথা শুনতে পাই।
তোমার কথা ভালো লাগলে আমার
হাত-পা নাড়িয়ে সাড়া দেই।
তোমার হার্ট-বিট আমার সবচেয়ে পছন্দের শব্দ।
*** দ্বিতীয় মাস ***
আম্মু …….
আজকে আমি আমার হাতের বুড়ো আঙ্গুল চুষতে শিখেছি।
তুমি যদি এখন আমাকে দেখো ,
তবে তুমি আমাকে অবশ্যই বেবি বলবে।
আমার অবশ্য এখন বাইরে যাওয়ার সময় হয়নি,
বরং এখানেই আমি উষ্ণ অনুভব করি।
*** তৃতীয় মাস ***
আম্মু ……..
তুমি কি জানো যে আমি একটা ছেলে!
আমি মনে করি তুমি তা জানতে পারলে
অনেক খুশি হবে।
আমি তোমাকে সবসময় খুশি দেখতে চাই …
তুমি মাঝে মাঝে যখন কান্না করো,
তখন আমার খুব খারাপ লাগে।
তুমি হয়তো শুনতে পাও না ……
আমি কিন্তু সত্যিই তোমার সাথে কান্না করি।
*** চতুর্থ মাস ***
আম্মু …….
আমার মাথার চুল গজানো শুরু হয়েছে ….
ছোট্ট ছোট্ট, কিন্তু অনেক সুন্দর চুল।
আমি এখন আমার আঙ্গুল বাঁকাতে পারি,
মাথা নাড়াতে পারি, ভালোভাবে হাত-পা নাড়াতে পারি,
অনেক কিছু করতে পারি ……

*** পঞ্চম মাস ***
আম্মু ……..
আজকে তুমি ডক্টরের কাছে কেন গিয়েছিলে?
ডক্টর তোমায় কি বলেছে?
ডক্টরের কথা আমি শুনতে পাই নি।
আমি তোমার কথা ছাড়া কারও কথা শুনতে পাই না।
আমি ভালো আছি আম্মু, তুমি ভালো আছো তো?

*** ষষ্ঠ মাস ***

আম্মু …..
আমি এখন অনেক ব্যাথা পাচ্ছি,
ডক্টর এখন আমার শরীরে সুচের
মতো কি যেন ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
আমি অনেক ব্যাথা পাচ্ছি আম্মু।
প্লিজ ডক্টরকে থামাও।
আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যেতে পারবো না …..

*** সপ্তম মাস ***
আম্মু …..
আমি ভালো আছি,
আমি এখন স্বর্গের এক এন্জেলের হাতে,
এন্জেল আমাকে বললো,
তোমার নাকি এবরশন করাতে হয়েছে।
তুমি আমাকে কেন চাও নি, আম্মু ???

প্রতিটা Abortion মানে ……..

একটা হৃদয়ের হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়া,
দুটি চোখ সারা জীবনের জন্য বন্ধ হওয়া,
দুটি হাত, যা আর কোনদিন কাউকে স্পর্শ করবে না,
দুটি পা, যা আর কোনদিন দৌড়াবে না,
একটা মুখ, যা আর কোনদিন কথা বলবে না ….

অনেক কিছু শিখার আছে….

অনেক কিছু শিখার আছে.. নিজেকে অনেক খানি বদলাতে হবে.. নিজের বিবেক কে জাগাতে হবে..

আপনার জীবন হয়ত আপনার কাছে পছন্দের না.. আপনি হয়ত খুশি না আপনার জীবন নিয়ে .. কিন্তু একটু এদিক অদিক চেয়ে দেখুন এমন হাজারো মানুষ আছে যারা আপনার জীবনের মতো জীবন চায় ..

আল্লাহ আমাদের কে হাত পা চোখ না মুখ সব দিয়েছেন .. তাঁর পরেও তাঁর শোকর আদায় না করে নাফরমানি করি..

বোন আমার…………..

বোন আমার ,
তোমরা এমন কোন ছেলের প্রেমে পরোনা যে কিনা তোমার রূপ দেখে তোমায় ভালবেসেছে ;
বরং এমন ছেলের প্রেমে পরো যে তোমার অন্তরের রূপ দেখে তোমায় ভালবেসেছে .. ♥
তোমরা এমন কোন ছেলের দিকে হাত বাড়িয়ে দিও না যে কিনা তাঁর পরিবার কে খুশি করার জন্য তোমার হাত ধরবে ;
বরং এমন ছেলের দিকে হাত বারাও যেকিনা খোদার খুশির জন্য তোমার বাড়িয়ে দেয়া হাত ধরবে .. ♥
তোমরা এমন কোন ছেলেকে জীবনসঙ্গীকরোনা যে সব সময় তোমার রূপের প্রশংসা করে ;
বরং এমন ছেলেকে যে কিনা তোমাকে পছন্দ করেছে তোমার পর্দার কারনে.. ♥
তোমরা এমন ছেলের জন্য সব কিছু ছেড়ে দিয়না যে কিনা তোমার জন্য জান টাও দিয়ে দিবে ;
বরং এমন ছেলেকে যে কিনা দুনিয়াবি চিন্তা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত এবং খোদার সন্তুষ্টির জন্য নামাজ রোজা কে আঁকড়ে ধরবে..

চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—

চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ।
শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা? উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে? উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি? উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন? উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে? উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে? উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো? উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি? উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত? উ.: লিকুইড।
পহেলা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব।
প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।
’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’ তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’ ‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন। ‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’ চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের !

যে হারে টাকার দাম কমতেছে, তাতে সেইদিন বেশীদিন দূরে নয় যখন বলতে হবে, ….

যে হারে টাকার দাম কমতেছে, তাতে সেইদিন বেশীদিন দূরে নয় যখন বলতে হবে,
-এই রিকশা মতিঝিল যাইবা ?
– যামু
– কত ?
– চাইর লাখ ।
– না মামু । তিন লাখ পঁচাত্তর
দিমুনে… চলো ।

আই কিউ জালাই করে নিন !

আই কিউ জালাই করে নিন __________________ চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব— প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা? উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই! প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে? উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে! প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি? উ.: বিশাল বড় হাত। প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন? উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না! প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে? উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে! প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে? উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে। প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো? উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি। প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি? উ.: ডিনার। প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত? উ.: লিকুইড। পহেলা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি। ’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’ তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’ ‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন। ‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’ চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের! (জিনিয়াস পাপী) মজা পেলে লাইক শেয়ার করতে ভুলবেননা।শেয়ার লিংক কমেন্টে দেখুন।

খুব লাজুক এক ছেলে এক রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে দেখল এক খুব সুন্দরি মেয়ে একা বসে আছে!…………….

খুব লাজুক এক
ছেলে এক রেস্টুরেন্ট
এ গিয়ে দেখল এক খুব
সুন্দরি মেয়ে একা বসে আছে!
সে সাহস করে সেই
মেয়ের কাছে গেল আর
বলল, “
আপনি যদি কিছু
মনে না করেন
আমি কি আপনার
পাশে বসতে পারি??
মেয়ে চিৎকার
করে উঠল “
আপনি আমাকে কি মনে করছেন??
আমি আপনার
সাথে রাত কাটাবো !!
ননসেন্স”
সাথে সাথে রেস্টুরেন্ট
এর সবাই ছেলেটির
দিকে ঘুরে তাকাল আর
সবাই কড়া চোখে তার
দিকে তাকাল
সেটা দেখে ছেলেটি খুব
ই বিব্রত আর
লজ্জিত হল!
সে চুপচাপ গিয়ে অন্য
এক টেবিল এ
বসেপড়ল!!
কিছুক্ষণ পর
মেয়েটি ছেলের
কাছে গিয়ে ফিস ফিস
করে বলল,

আমি মনোবিজ্ঞানের
ছাত্রী তাই বিভিন্ন
বিব্রতকর
পরিস্থিতিতে মানুষ
কেমন আচরন
করে সেটা নিয়ে গবেষণা করছি কিছু
মনে করবেন না !”
তখন ছেলে চিৎকার
করে বলে উঠলো,
.
.
.
.
.
“ কি??? ৩,০০০ টাকা…!!
এক রাতের ভাড়া এত
নাকি…!!? ” 😛 :-p

প্রেমিকা : যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?…………….

প্রেমিকা : যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : ড্রিংকস করাও না..

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : নাইট ক্লাবেও যেতে পারবেনা

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : আর কি বাকী আছে যা তুমি ছেড়ে দিবে
” ”

” ”

” ”
প্রেমিক :- তোমাকে!