এক রসিক স্যার ক্লাসে এসে ভ্যালেন্টাইন ডে তে………….

এক রসিক স্যার ক্লাসে এসে ভ্যালেন্টাইন ডে তে তার ছাত্র-ছাত্রীদের একটা করে অফসেট পেপার দিয়ে বললেনঃ আজ ভ্যালেন্টাইন ডে। তাই আজ লেকচার
দেব না! তোমাদের কাছে দেয়া কাগজে তোমাদের ভালোলাগার মানুষটির নাম লিখ!!!


৩০ সেকেণ্ডের মধ্যে সব ছেলেরা কাগজ
জমা দিয়ে দিল!


২০ মিনিট পর থেকে মেয়েরা একে একে বলতে শুরু করলঃ এক্সট্রা পেইজ প্লীজ…!! :O 😛 😀

*** মেয়েদের হৃদয়ের ফাঁকা স্থান ছেলেদের থেকে অনেক বেশি. . .কিছুতেই মন ভরেনা !! 😉 ***

Advertisements

পাগলাগারদের ডাক্তার এক পাগলের কাছে গিয়ে বলল………….

পাগলাগারদের ডাক্তার এক পাগলের কাছে গিয়ে বলল – আপনার জন্য একটা সুসংবাদ আর একটা দুঃসংবাদ আছে। কোনটা আগে শুনতে চান?
পাগল ফিচ করে হেসে – সুসংবাদটাই আগে বলেন।
ডাক্তার – সুসংবাদটা হলো, আপনি আজ যে দুঃসাহসিক কাজ করেছেন, হাসপাতালের পুকুরে ডুবন্ত আরেক পাগলকে যেভাবে ঝাপিয়ে পড়ে উদ্ধার করেছেন, তাতে আমরা নিশ্চিত আপনি আর পাগল নন। আপনি সুস্থ হয়ে গেছেন। এবার আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পাড়েন।
পাগল – আর দুঃসংবাদটা কি?
ডাক্তার – দুঃসংবাদটা হচ্ছে, আপনি যে পাগলকে পানি থেকে উদ্ধার করেছিলেন, সে পরবর্তিতে আত্মহত্যা করেছে পুকুরের পাশের আমগাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে।
পাগল আবারো ফিচ করে হেসে – আরে না! ও তো নিজে গলায় দড়ি দেয় নাই। পুকুর থিকা উঠানোর পর দেখলাম ব্যাটা ভিজা পুরা চুপচুপা হইয়া রইছে, তাই আমিই ওরে আম গাছের লগে লটকাইয়া শুকাইতে দিছিলাম :Pপাগলাগারদের ডাক্তার এক পাগলের কাছে গিয়ে বলল – আপনার জন্য একটা সুসংবাদ আর একটা দুঃসংবাদ আছে। কোনটা আগে শুনতে চান?
পাগল ফিচ করে হেসে – সুসংবাদটাই আগে বলেন।
ডাক্তার – সুসংবাদটা হলো, আপনি আজ যে দুঃসাহসিক কাজ করেছেন, হাসপাতালের পুকুরে ডুবন্ত আরেক পাগলকে যেভাবে ঝাপিয়ে পড়ে উদ্ধার করেছেন, তাতে আমরা নিশ্চিত আপনি আর পাগল নন। আপনি সুস্থ হয়ে গেছেন। এবার আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পাড়েন।
পাগল – আর দুঃসংবাদটা কি?
ডাক্তার – দুঃসংবাদটা হচ্ছে, আপনি যে পাগলকে পানি থেকে উদ্ধার করেছিলেন, সে পরবর্তিতে আত্মহত্যা করেছে পুকুরের পাশের আমগাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে।
পাগল আবারো ফিচ করে হেসে – আরে না! ও তো নিজে গলায় দড়ি দেয় নাই। পুকুর থিকা উঠানোর পর দেখলাম ব্যাটা ভিজা পুরা চুপচুপা হইয়া রইছে, তাই আমিই ওরে আম গাছের লগে লটকাইয়া শুকাইতে দিছিলাম 😛

এক প্রবাসীর স্ত্রী ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য গেলেন। ব্যাংক কর্মকর্তা সবকিছু ঠিকঠাক করে বলেন, আপা! এখানে একটি সাইন করুন—

এক প্রবাসীর স্ত্রী ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য গেলেন। ব্যাংক কর্মকর্তা সবকিছু ঠিকঠাক করে বলেন, আপা! এখানে একটি সাইন করুন—
সাইন! এটা আবার কি?
এখানে একটি দস্তখত করুন।
দস্তখত! সেটা আবার কি?
বড়ই মুশকিল দেখছি। স্বামীর কাছে চিঠিপত্র দেন না?
দেব না কেন?
অবশ্যই দেই।
তাহলে ইতির পর যা লেখেন, এখানেও তা লিখুন।
ভদ্র মহিলা লিখলেন, ‘তুমার সোহাগী’

দু’বন্ধুর মাঝে আলাপ হচ্ছে।

দু’বন্ধুর মাঝে আলাপ হচ্ছে।
প্রথম বন্ধু : স্ত্রীর জন্য আমার আর মুখ দেখাবার উপায় রইল না। রোজ রাতে বারে যায়।
দ্বিতীয় বন্ধু: ছিঃ ছিঃ ছিঃ কী জঘন্য কথা! কী করে বারে গিয়ে?
প্রথম বন্ধু : আমাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে আসে।

ছেলেঃ এই তোমরা কয় ভাইবোন?
মেয়েঃ” আমরা ৩৬ ভাইবোন…”
ছেলেঃ” তোমাদের ঘরে কি Family Planning(পরিবার পরিকল্পনা) এর লোক আসে নি???”
মেয়েঃ” এসেছিলো… কিন্তু স্কুল ভেবে চলে গেছে…” :p

Kiss” কাকে বলে ????

Kiss” কাকে বলে ????

জ্যামিতি অনুসারে…
“Kiss হচ্ছে দুইটা ঠোঁট এর ন্যূনতম দূরত্ব!!”:)
:
:
:
:
:
ইকনমিক্সঃ
“Kiss হচ্ছে এমন একটা জিনিশ যার চাহিদা সব সময় যোগান অপেক্ষা বেশি থাকে”

ফিজিক্সঃ
“এটা হচ্ছে মানবদেহকে চার্জ করার পদ্ধতি”

কম্পিউটারঃ
“ দুইটা দেহ এক টা আরেকটা এর সাথেসংযুক্ত! থাকে কোন ডাটা ক্যাবল ছাড়াই!!”

টাংকিবাজদের/রোমিওদের মতেঃ
“Kiss এমন একটা জিনিস যা খাইতেও মজা আবার খাওয়াইতেও মজাই মজা!!”

রসায়নঃ
“দুটি মৌলের পারস্পারিক অবস্থানের ফলে উত্‍পন্ন ইলেকট্রন আদান এবং প্রদান”

একাউন্টিং:
“দুটি ঠোঁটের ডেবিট ক্রেডিট !!!”

যুক্তি বিদ্যাঃ
প্রকৃতির নীয়মানুবর্তিতা নীতি এবং কার্যকরন নীয়মের উপর ভিত্তি করে দুই ভিন্ন ব্যাক্তি স্বত্তার একটি বিশেষ অঙ্গের (সাধারণত ঠোট) এর মিশ্রনকে Kiss বলে অভিহিত করা হয়।

লুলবিদ্যাঃ
Kiss হচ্ছে বৃহত্তর স্বার্থের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্রতম পূর্বপ্রস্তুতি!!

|•►►এক মেয়ে অনেক ছোট একটা পোশাক পড়ে জিগ্গেস করতেছে ছেলেকে

|•►►এক মেয়ে অনেক ছোট একটা পোশাক পড়ে জিগ্গেস করতেছে ছেলেকে
-আমাকে অনেক যুবতী মনে হচ্ছে , তাই না…??


ছেলের উত্তরঃ ঐটাও খুলে ফেলাও, একেবারে ছোট বাচ্চা মনে হবে। 😛 😛 😛

যে হারে টাকার দাম কমতেছে, তাতে সেইদিন বেশীদিন দূরে নয় যখন বলতে হবে, ….

যে হারে টাকার দাম কমতেছে, তাতে সেইদিন বেশীদিন দূরে নয় যখন বলতে হবে,
-এই রিকশা মতিঝিল যাইবা ?
– যামু
– কত ?
– চাইর লাখ ।
– না মামু । তিন লাখ পঁচাত্তর
দিমুনে… চলো ।

খুব লাজুক এক ছেলে এক রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে দেখল এক খুব সুন্দরি মেয়ে একা বসে আছে!…………….

খুব লাজুক এক
ছেলে এক রেস্টুরেন্ট
এ গিয়ে দেখল এক খুব
সুন্দরি মেয়ে একা বসে আছে!
সে সাহস করে সেই
মেয়ের কাছে গেল আর
বলল, “
আপনি যদি কিছু
মনে না করেন
আমি কি আপনার
পাশে বসতে পারি??
মেয়ে চিৎকার
করে উঠল “
আপনি আমাকে কি মনে করছেন??
আমি আপনার
সাথে রাত কাটাবো !!
ননসেন্স”
সাথে সাথে রেস্টুরেন্ট
এর সবাই ছেলেটির
দিকে ঘুরে তাকাল আর
সবাই কড়া চোখে তার
দিকে তাকাল
সেটা দেখে ছেলেটি খুব
ই বিব্রত আর
লজ্জিত হল!
সে চুপচাপ গিয়ে অন্য
এক টেবিল এ
বসেপড়ল!!
কিছুক্ষণ পর
মেয়েটি ছেলের
কাছে গিয়ে ফিস ফিস
করে বলল,

আমি মনোবিজ্ঞানের
ছাত্রী তাই বিভিন্ন
বিব্রতকর
পরিস্থিতিতে মানুষ
কেমন আচরন
করে সেটা নিয়ে গবেষণা করছি কিছু
মনে করবেন না !”
তখন ছেলে চিৎকার
করে বলে উঠলো,
.
.
.
.
.
“ কি??? ৩,০০০ টাকা…!!
এক রাতের ভাড়া এত
নাকি…!!? ” 😛 :-p

প্রেমিকা : যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?…………….

প্রেমিকা : যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : ড্রিংকস করাও না..

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : নাইট ক্লাবেও যেতে পারবেনা

প্রেমিক : ওকে

প্রেমিকা : আর কি বাকী আছে যা তুমি ছেড়ে দিবে
” ”

” ”

” ”
প্রেমিক :- তোমাকে!