Hi Gental leady ,please save yourself

পাশ্চাত্য সভ্যতা ব্যভিচারকে সহজ থেকে সহজতর করে দিয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকায় নারী-পুরুষ স্বেচ্ছায় যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাহলে তাদের আইন ও সমাজের দৃষ্টিতে এটা কোন অন্যায় নয়। বরং প্রয়োজনে রাষ্ট্র ও তার প্রশাসন এক্ষেত্রে তাদেরকে সহযোগিতা করে। নারীদেরকে অধিকার ও স্বাধীনতার নামে সমাজের সর্বত্র খোলা-মেলাভাবে ছড়িয়ে দিয়ে, সেক্স সিম্বল হিসেবে চিত্রিত করে, বেহায়াপনা ও উলঙ্গপনাকে আধুনিকতা বুঝিয়ে তাদেরকে বিবস্র করে ব্যাভিচারের ক্ষেত্রকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। নারীর অধিকারের কথা বলা হলেও এর মাধ্যমে মূলত: পাশ্চাত্য সমাজ আসলে পুরুষদের ভোগের সহজলভ্য ব্যবস্থা করেছে। পক্ষান্তরে পাশ্চাত্য সমাজে বিবাহ হচ্ছে কঠিন ও জটিলতম একটি মহাযজ্ঞ। বিভিন্ন আইন-কানুনের মারপ্যাচ আর সমাজ ও রাষ্ট্রের নীতিমালা সেখানে বিবাহ বান্ধব নয়। যার কারণে সকলে সহজলভ্য ব্যভিচারের দিকেই ঝুঁকছে। পাশ্চাত্যের এই হুবহু অপসংস্কৃতি আজ আমাদের দেশেও আমদানি করা হচ্ছে। বোঝানো হচ্ছে এটাই তাদের স্বাধীনতা আর সাফল্যের মাপকাঠি। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে ও প্রদর্শনীতে জড় পদার্থের সাথে নারীকেও একটি আকর্ষণীয় পন্য হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এর বাইরে সহশিক্ষা আর ফ্রি মিক্সিংয়ের ফলে তরুণ-তরুণী সাবালক হওয়ার পরপরই গুনাহে লিপ্ত হওয়ার সহজ সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। ব্যভিচার সহজলভ্য হওয়ার কারণে মানুষ বিবাহের ব্যপারে আগ্রহ হারাচ্ছে। এর বাইরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নারী। ইসলাম যাদেরকে জীবনের প্রতিটি স্তরে সম্মান ও মর্যাদার এক নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেছিলো, তারা বঞ্চিত হয় তাদের সেই সুখের জীবন থেকে। ব্যভিচারের মাধ্যমে একজন নারী এক কালীন সামান্য অর্থের বাইরে বলতে গেলে আর কিছুই পায় না। বিয়ের মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের যৌন চাহিদা পূরণ হলেও খরচ ও দায়-দায়িত্বের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে পুরোটাই ইসলাম পুরুষের কাধে চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ব্যভিচারের ক্ষেত্রে এর কোন বালাই নেই। নারী-পুরুষ উভয়ে নিজেদের সাময়িক চাহিদা পূরণ করে ঠিকই কিন্তু নারী এক্ষেত্রে সামান্য কিছু অর্থের বাইরে আর কোন সুবিধাই সে পায় না। (অনেক সময় এই সামান্য অর্থও দেয়া হয় না।) ব্যভিচারের ফলে নারীর অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সারা জীবনের পুরো দায়িত্ব তো দূরের কথা একদিনের দায়িত্বও পুরুষ কাধে নেয় না। নারী পিতা-মাতা আত্মীয়-স্বজনদের প্রসঙ্গ তো আরো পরের ব্যাপার। ব্যভিচারের ফলে নারী সেই পুরুষের সম্পদে ওয়ারিস হয় না। ব্যভিচারের ফলে নারীর গর্ভে আসা সন্তান, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার আনুসাঙ্গিক খরচসহ সন্তান লালন-পালনের যাবতীয় দায়-দায়িত্ব পুরুষ নেয় না বরং তা নারীর একারই বহন করতে হয়। ব্যভিচারের ফলে যেহেতু তালাকের প্রশ্নই নেই তাই তালাক পরবর্তী সুবিধা থেকেও নারী বঞ্চিত হয়। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে একজন নারীর জন্য বিয়ের মাধ্যমে নিজ চাহিদা পূরণ করাই হলো সবচেয়ে উপকারী ও লাভজনক। পক্ষান্তরে পুরুষদের জন্য বিবাহ হচ্ছে সামান্য আনন্দের বিনিময়ে বিশাল দায়িত্ব ও কর্তব্য কাধে নেয়া। তাই অনেকেই এক্ষেত্রে অন্যায় সুযোগ নিচ্ছেন…. নিজের ভালো বুঝতে শিখুন… সামান্য আনন্দের জন্য নিজের জীবন ধ্বংস করবেন না প্লিজ।

Advertisements

One thought on “Hi Gental leady ,please save yourself

  1. এ সত্য কথাটা কেও বুজতে চায় না
    লিংকটা বুজতে পারলে আমাদের সবার উপকার হবে

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s